Project Name: Skills for Employment Investment Program (SEIP)

Donor: Palli Karma-Sahayak Foundation(PKSF)

Duration: June, 2024

Project Summary:

শরীয়তপুর ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি(এসডিএস) ১৯৯২ খ্রিঃ থেকে অদ্যবধী এই দীর্ঘ যাত্রায় ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের পাশাপাশি খরা বন্যা নদীভাঙ্গন ইত্যাদি প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলায় কর্মএলাকার অতিদরিদ্র অধিবাসীদের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে  দাতা সংস্থার সহায়তায় বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করে আসছে। বাংলাদেশ সরকারের ভিশন ২০২১ অনুযায়ী কারিগরী কর্মকান্ডে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইতমধ্যে এসডিএস এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান এসডিএস টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনিষ্টিটিউট (STTI) এর কার্যক্রম আলাদা ক্যাম্পাসে আরম্ভ  হয়েছে। আমরা জেনে Avkvwš^Z হয়েছি পিকেএসএফ তাদের ফান্ড ব্যবহারকারী উপকারভোগীদের জন্য Skill for Employment Investment Program (SEIP) প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী ৩ বছরে ১৩টি ট্রেডে ১০,০০০ (দশ হাজার) জন কারিগরী জ্ঞান ও দক্ষতা সম্পন্ন জনশক্তি গড়ে তোলার কর্মসূচী হাতে নিয়েছে। পিকেএসএফ এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসাবে এসডিএস এই বিশাল কর্মকান্ডে অনুগামী হতে আগ্রহি। উল্লিখিত সময়ের মধ্যে আমরা ৬টি ট্রেডে ১৩৫০ জন গ্রাজুয়েট গড়ে তুলতে বিভিন্ন অবকাঠামোগত স্থাপনা তৈরী করেছি। এই প্রতিষ্ঠানে নিম্নে উল্লিখিত ট্রেড অনুযায়ী দক্ষ প্রশিক্ষক, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এবং অভিজ্ঞ ব্যবস্থাপনা কাঠামো রয়েছে। চাহিদার ভিত্তিতে স্থানীয় ও জাতীয় ভাবে কর্মসংস্থানের জন্য আমরা শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার কাজ অব্যাহত রেখেছি। এছাড়া এসডিএস এর মাইক্রোক্রেডিট কার্যক্রম থেকে অর্থ সংস্থানের মাধ্যমে গ্রাজুয়েটগন ব্যক্তিগত এন্টারপ্রাইজ গড়ে তোলার সহযোগীতা পাবেন।

ক্রম নং

ট্রেড/কোর্সের নাম

কোর্সের মেয়াদ

প্রশিক্ষণার্থী সংখ্যা

মোট

১ বছর

২য় বছর

৩য় বছর

০১

আইটি সাপোর্ট সার্ভিস

৬ মাস

৫০ জন

৫০ জন

৫০ জন

১৫০ জন

০২

cøvw¤^s এন্ড পাইপ ফিটিং

৩ মাস

১০০ জন

১০০ জন

১০০ জন

৩০০ জন

০৩

ফ্যাশন গার্মেন্টস

৩ মাস

১০০ জন

১০০ জন

১০০ জন

৩০০ জন

০৪

মোবাইল সার্ভিসিং

৩ মাস

১০০ জন

১০০ জন

১০০ জন

৩০০ জন

০৫

ইলেকট্রনিক্স এন্ড ইলেকট্রিক ওয়ার্কস

৬ মাস

৫০ জন

৫০ জন

৫০ জন

১৫০ জন

০৬

ওয়েল্ডিং এন্ড ফেব্রিকেশন

৬ মাস

৫০ জন

৫০ জন

৫০ জন

১৫০ জন

 

মোট

৪৫০ জন

৪৫০জন

৪৫০জন

১৩৫০জন

Goal: গ্রাজুয়েটগন  বাজার উপযোগী কারিগরি জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান গড়ে নিয়ে নিজে ¯^vejw¤^ হবেন। পারিবারিক ও সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করে ইতিবাচক ভুমিকা রাখবেন।

Objective:

  • গ্রাজুয়েটগন  বাজার উপযোগী কারিগরি জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করবেন।
  • ৫০% গ্রাজয়েট ব্যক্তিগত এন্টরপ্রাইজ (স্ব কর্মসংস্থান) গড়ে তুলতে আগ্রহী হবেন।
  • গ্রাজুয়েটগন সামাজিক এবং নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন হবেন।
  • নুন্যতম ৭০% গ্রাজুয়েটের কর্ম সংস্থান হবে

Human Resource:

SEIP প্রকল্পের কার্যক্রমের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষকদের নামের তালিকা ও পদবী

ক্রমিক নং

কর্মকর্তার নাম

পদবী

অতিরিক্ত দায়িত্ব

বি এম কামরুল হাছান

পরিচালক 

মাইক্রো ফিনেন্স,এস ডিএস

ফোকাল পারসন

SEIP প্রকল্প

আলী ইসলাম মৃধা

জব প্লেসমেন্ট অফিসার

 

SEIP প্রকল্প

মোঃ দেলোয়ার হোসেন

হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা

 

SEIP প্রকল্প

এস এম সালাহ উদ্দিণ

প্রশিক্ষক,

ইলেকট্রিক্যাল ইন্সটলেশন এন্ড মেন্টেনেন্স ট্রেড

SEIP প্রকল্প

মোঃ আবদুল কুদ্দুস

সহকারী প্রশিক্ষক,

ইলেকট্রিক্যাল ইন্সটলেশন এন্ড মেন্টেনেন্সট্রেড

SEIP প্রকল্প

 মোঃ সাফায়েত

প্রশিক্ষক

মোবাইল ফোন সার্ভিসিং ট্রেড

SEIP প্রকল্প

মোঃ মাইনুর হোসেন

সহকারী  প্রশিক্ষক

মোবাইল ফোন সার্ভিসিংট্রেড

SEIP প্রকল্প

 মেহেদী হাসান

প্রশিক্ষক

cøvw¤^s†UªW

SEIP প্রকল্প

 মোঃ আরমান হাওলাদার

সহকারী প্রশিক্ষক

cøvw¤^s†UªW

SEIP প্রকল্প

১০

মোঃ সাহাবুদ্দিন

প্রশিক্ষক

সুইং মেশিন অপারেশন্স

SEIP প্রকল্প

১১

সনেট বালা

সহকারী প্রশিক্ষক

সুইং মেশিন অপারেশন্স

SEIP প্রকল্প

 

Working Area: SDS Working Area

 

Project Activity:

  • উপযোগী প্রশিক্ষণার্থী বাছাই (পিকেএসএফ কর্তৃক নির্ধারিত ক্রাইটেরিয়া অনুযায়ী)।
  • মান সম্পন্ন প্রশিক্ষণ নিশ্চিতকরন ( জনবল, যন্ত্রপাতি, আবাসন, খাবার, সুপারভিশন ও মনিটরিং)।
  • ওয়ার্কসপ এচাটমেন্ট ট্রেনিং।
  • মূল্যায়ন।
  • সনদপত্র প্রদান।
  • ফলোআপ ও কর্ম সংস্থানে সহায়তা

 

Case Studies:

জীবন সংগ্রামে একধাপ এগিয়ে রেখা আক্তার ...........

রেখা আক্তার,বয়স ২০ বছর,  পিতা ঃ আলী মোহাম্মদ মুন্সি, মাতাঃ লিপি বেগম, গ্রাম ঃ ঢালী কান্দি, বিনোদপুর, ডাকঘরঃ চিকন্দী   উপজেলা ঃ শরীয়তপুর সদর, জেলা ঃ শরীয়তপুর। ২ বোন ও ১  ভাইসহ পরিবারের সংখ্যা ৫ জন। পরিবারে আর্থিক ¯^”QjZv নেই। বাবা জমিতে মজুরী হিসেবে কাজ করে কোন রকমে সংসার চালায়। তাই ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করার পর অদম্য ইচ্ছা থাকা সত্বেও লেখাপড়ার ইতি টানতে হয় তাকে। তার সম-বয়সী সবাইকে স্কুলে যেতে দেখে তারও ইচ্ছা জাগে স্কুলে যেতে কিন্তু সাধ থাকলেও সাধ্য নেই তার বাবার। সাড়াদিন মন মরা হয়ে বাড়িতে বসে থাকে। কোথাও যেতে মন চায়না । এরপর তাকে বিয়ে দিয়ে দেয়। কিন্তু সেই সুখ বেশি দিন টেকেনি। হঠাৎ তার ¯^vgxi স্ট্রোক হয় এবং সে মারা যায়। কি আর করা, রেখা আবার বাবার কাছে চলে আসে।  এতে সে তার বেচেঁ থাকার আশা হারিয়ে ফেলে। সারাক্ষন মন খুব খারাপ করে থাকে। আমাদের সমাজে মেয়েদের এমনিতেই গ্রহন যোগ্যতা কম। তার উপর রেখা বিধবা, ¯^vgx নেই, কোথাও গেলে দুর্নাম হওয়ার ভয় আছ্ে‌।  সে কোথাও যেথে চাইলে পারছেনা সমাজের দুর্নাম ওঠার ভয়ে। বিধবা হিসেবে সে  সামাজিক বিভিন্ন চাপে রয়েছে। আশেপাশের পরিবেশ কেমন যেন অচেনা হয়ে যেতে থাকে তার কাছে। সমাজে তার অবস্থান কোথাও নেই। লেখাপড়া ও করতে পারেনি কিংবা কোন কাজ করে যে, নিজের সময় ও কিছু অর্থ আয় করবে তা ও জানেনা। অস্থিরতা বেড়ে যায় রেখার মনে। একদিন সমিতিতে মাঠকর্মী আলোচনা করেন যে,  এসডিএস-পরিচালিত পিকেএসএফ এর আর্থিক সহযোগীতায় SEIP প্রকল্পের মাধ্যমে এসডিএস টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনন্সিটিউট থেকে বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষন প্রদান করে থাকে। প্রশিক্ষন শেষে সনদপত্র দেয়া হয় এবং পাশাপাশি চাকুরী বা ব্যবসায় করার জন্য নহযোগিতা প্রদান করা হয়। এ কথা শুনে রেখা SEIP প্রকল্পের মাধ্যমে এসডিএস টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনন্সিটিউট থেকে ০৫ wW‡m¤^iÕ16 - ০৪ মার্চ’২০৭৬ খ্রিঃ সময়ে ৩ মাস মেয়াদি ফ্যাশন গামের্ন্টস ট্রেডের ২য় ব্যাচে দক্ষতার সাথে কোর্স সমাপ্ত করে। TTS অনুযায়ি তার রেজিস্ট্রেশন নং ২৫০০০০৫২২২ এবং  রোল নং SDS-FG -B2- 015  । তার মোবাইল b¤^i ০১৭৪৫-৫৬৩৬৮৭। তার  মতে প্রশিক্ষন প্রক্রিয়া, পরিবেশ, খাওয়া ও আবাসন ব্যবস্থা খুবই ভাল ছিল। তাই আমরা প্রশিক্ষনটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি।

তিন মাস প্রশিক্ষন শেষে সফলতার সাথে সনদপত্র অর্জন করে । ফ্যাশন গার্মেন্টস ট্রেডে ক্লাস চলা কালেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারো অনুগ্রহ হয়ে ¯^í বেতনে চাকুরী করবে না সে। শুরু থেকেই তার ইচ্ছা ছিল সে নিজে কিছু একটা করবে। তার যে ¯^cœ নিয়ে ফ্যাশন গার্মেন্টস ট্রেডে ভর্তি হয়েছিল, রেখা সনদপত্র পাওয়ার পর থেকেই সে ¯^‡cœi পথেই হাটছিল। রেখা তার মায়ের মাধ্যমে এসডিএস সমিতি থেকে ২০,০০০ টাকা ঋণ নিয়ে একটি সেলাই মেশিন ও কিছু থান কাপড় ক্রয় করে নিজের বাড়িতেই টেইলার্সের দোকান দেন। গ্রামে গ্রামে গিয়ে সেলাইয়ের জন্য কাজ সংগ্রহ করে। বাজরের চেয়ে মজুরী কম নেয়াতে তার কাজের পরিধি বাড়তে থাকে। প্রশিক্ষনলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে অল্প দিনেই রেখা সুনাম অর্জন করতে থাকে। প্রথম মাসেই রেখা আয় করে প্রায় ৫৫৮৫ টাকা। প্রথম থেকেই থান কাপড়ের ব্যবসা ভাল চলছিল তাই সে দুই মাস অতিবাহিত হওয়ার পর ৩০ টি  থ্রি-পিস উঠায়। সেগুলো সে ৩০ দিনেই বিক্রি করে ফেলে প্রায় ৭৫০০ টাকা লাভে এবং সাথে সাথে মজুরী আয় হয় প্রায় ৪২০০ টাকা। দিন দিন তার আয় বাড়তে থাকে । আয়ের টাকা দিয়ে সে প্রতি সপ্তাহে ৫৫০ টাকা ( কিস্তি ৫০০ টাকা ও সঞ্চয় জমা করে ৫০ টাকা) কিস্তি পরিেেশাধ করছে। পরিবারেও মোটা অংকের আার্িথক সহায়তাও করছে। তার ছোট ভাইটিকে পার্শ্ববর্তী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শেণিতে ভর্তি করিয়ে দিয়েছে। তার ভাইয়ের লেখাপড়ার খরচ রেখা নিজেই বহন করে। বাবা মা রেখার এ অগ্রগতি দেখে অনেক খুশি।

¯^í দিনেই রেখা আক্তারের  আর্থিক ¯^”QjZv চলে আসে। এখন রেখা আক্তার নিজের ¯^vaxb মতো চলাফেরা করছে। বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানে যোগদান করছে। তার গ্রামের লোকজন  রেখাকে কে নিয়ে গর্ব করে। তারা আজ তাকে পরম মমতায় কাছে টেনে নিয়েছে। তারাই আজ বিভিন্ন লোকের কাছে গল্প করে বেড়ায় যে রেখা নিজের কষ্টের কাছে হার মানেনি। তার বাবা মায়ের সংসারে আজ সে বোঝা না হয়ে সম্পদে পরিনত হয়েছে। রেখা ভবিষ্যতে তার বাড়িতে একটি মিনি গামের্ন্টস করতে চায় এবং সে সেখানে তার মতো অসহায় A¯^”Q পরিবারের মেয়েদের কাজ শিখিয়ে তার গড়ে তোলা মিনি গামের্ন্টসে চাকুরী দিয়ে mvej¤^x করতে চায়।

 

অধ্যবসায় থাকলে জীবনে উন্নতি করা যায় তার প্রমান দেখিয়ে দিয়েছেন রোমান মিয়া.....

রোমান মিয়া, বয়স ১৯ বছর, যুদ্ধ জয়ের ¯^‡cœ বিভোর এক পরিশ্রমি যোদ্ধা। বাবার নাম সেকান্দার ভুইয়া ও মায়ের নাম রিজিয়া বেগম। ঠিকানা ঃ গ্রামঃ পূর্ব কাজি কান্দি, ডাকঘরঃ বিকে নগর, উপজেলাঃ জাজিরা, জেলাঃ শরীয়তপুর । বাবার বয়স ৪৬ বছর,  বাবার সংসারে তারা ভাইবোনসহ মোট  ৫ জন।  মোট ৫ জনকে নিয়ে তাদের সংসার। পরিবারের  উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তার বাবা একজন কৃষক ও  কৃষিকাজ করে কোন রকমে আয় করে সে। তাদের সম্পদ বলতে ছিল একটি দো-চালা টিনের ঘর, একটি রান্না ঘর, একটি কাঠের চৌকি, একটি টিভি এবং  সে এসএসসি পর্যন্ত পড়াশুনা করে শেষ করতে হয়। কোন দক্ষতামূলক বিশেষ কোন প্রশিক্ষন না থাকায় কোন কাজ ও করতে পারছিল না। রোমান মিয়া এসএসসি পর্যন্ত লেখাপড়া করে আর লেখাপড়া করতে পারেনি।  কোন হাতের কাজও সে জানত না। বেকার ঘোরাফেরা করত। বাবা মায়ের বকুনী খেত কাজ না করতে পারার জন্য। বেশির ভাগ সময়েই সে আড্ডা করে বেড়াত। এলাকায় কোন কাজের সুযোগও ছিলনা।  দু একজন বন্ধু বান্ধব ছিল, তাদের সাথে আড্ডা দিয়েই সময় কাটত তার। তবে এলাকায় কোন খেলাধূলা হলে বা কোন অনুষ্ঠান হলে সে কখনো সেখানে ডাক পেতনা। এ অবস্থায় সে মানসিকভাবে হতাশ হয়ে পড়েছে। একদিন রোমান মিয়া এসডিএস-এর শাখা ব্যবস্থাপকের  কাছে জানতে পেরে সে এসডিএস টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইন্সটিটিউট (STTI)-Gi অধ্যক্ষকে ফোন করে যোগাযোগ করে জানতে পারে যে, এসডিএস পিকেএসএফ-এর অর্থায়নে  SEIP- প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশের বেকার যুবক-যুব নারীদের বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে তুলছে।  গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সহায়তা এবং পিকেএসএফ এর ব্যবস্থাপনায় এসডিএস পরিচালিত SEIP প্রকল্পের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক্স এন্ড ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্ক  ট্রেডে ৬ মাস মেয়াদী  প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সাথে সাথে রোমান মিয়া উক্ত ট্রেডে ৬ মাস মেয়াদি কোর্সে ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সে ২য়  ব্যাচে ভর্তির জন্য বাছাই পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে নির্বাচিত হয়। সে ১৫ মার্চ’২০১৭ থেকে ১৪ আগষ্ট’২০১৭ খ্রিঃ সময়ে পরিচালিত ৬ মাস মেয়াদি ইলেকট্রনিক্স এন্ড ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্ক ট্রেডে (২য় ব্যাচ) দক্ষতার সাথে কোর্স সমাপ্ত করে। TTS অনুযায়ি তার রেজিস্ট্রেশন নং ২৫০০০০৬৭৪৩ এবং  রোল নং SDS-EW-B2- 011 । তার মোবাইল b¤^i  ০১৭৪৫-৫৩৩১১৭। ছয় মাস সফল প্রশিক্ষন গ্রহন শেষে সনদপত্র অর্জন করে। তার  মতে “ প্রশিক্ষন প্রক্রিয়া, পরিবেশ, খাওয়া ও আবাসন ব্যবস্থা খুবই ভাল ছিল। তাই আমরা প্রশিক্ষনটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি।”

রোমান মিয়া প্রশিক্ষন চলাকালীন জব প্লেসমেন্ট অফিসারের ব্যবসায় উন্নয়ন বিষয়ক লেকচার শুনে আত্ন-কর্মসংস্থানে উদ্ধুদ্ধ হয় এবং সে একটি ইলেকট্রিক্যাল হাউজ ওয়্যারিংয়ের একটি দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ার পরিকল্পনা করে। কিন্ত অর্থের অভাবে সে তা করতে পারছিলনা। অবশেষে সে এসডিএস-এর বিকে নগর শাখার শাখা ব্যবস্থাপক-এর সাথে যোগাযোগ করে ৫০০০০ টাকা ঋন নিয়ে কিছু যন্ত্রপাতি (ইলেকট্রনিক্স এন্ড ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্ক)  ক্রয় করে কাজ শুরু করে। পরে আনন্দ বাজারে একটি দোকান ঘর ভাড়া নিয়ে কিছু ইলেকট্রিক সামগ্রীর ব্যবসা শুরু করে। কিছু ভিজিিিটং কার্ড ও কয়েকটি ব্যানার ছাপিয়ে তার কাজের বিজ্ঞাপন দিয়ে দেয়। এতে তার কাছে প্রচুর কাজ আসতে থাকে। স্থানীয় বাজারে আর কোন মিস্ত্রি  না থাকায় তার কাজের প্রচুর চাহিদা তৈরী হয়।  সে স্থাণীয়ভাবে বেশ কয়েকটি পাঁকা দালানের ইলেকট্রিক্যাল হাউজ ওয়্যারিংয়ের কাজ চুক্তিতে নেয়। সাথে সে আরও দুই/তিনজন কে সহকারী হিসেবে নিয়োগ করে। তাদের প্রথ্যেককে  সে প্রতিদিন ৩০০/- টাকা করে মজুরী প্রদান করে। কাজ শুরু করার পর থেকে তার কাজের  চাহিদা দিনদিন বাড়তে থাকে।  তার এলাকায় কাজ করে ও ইলেকট্রিক সামগ্রীর ব্যবসা করে মাসে তার প্রায় ১৭/১৮ হাজার টাকা আয় হয়। রোমান মিয়া বর্তমানে ১৮০০০/- টাকা মাসে আয় করে। বাড়িতে তার বাবা মা ও একভাই , এক বোন রয়েছে। ভাই স্কুলে অষ্টম শ্রেণি ও বোন ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে এবং তাদের পড়ালেখার খরচ সে নিজেই বহন করে।  তার বাবার সংসার এখন ভাল ভাবে পরিচালনা করতে পারছে। বর্তমানে রোমান মিয়া যে আয় করছে তাতে সে অনেক টাকা জমিয়ে সে নিজের এলাকায় একটি ইলেকট্রিক্যাল হাউজ ওয়ারিংয়ের মালামাল-এর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান  করতে চায়।  পাশাপাশি তার দোকানে অন্তত দুই/তিনজন স্থানীয় ছেলেকে তার দোকানে কাজ বা চাকুরী দিতে পারে তার ব্যবস্থা সে করবে যাতে এলাকার গরীব ২/৩ তিনজন ছেলে কাজ শিখে নিজেরা ¯^vej¤^x হতে পারে।

 

রোমান বলেন আমি লেখাপড়া খুব বেশি করতে পারিনি, সংসারে অনেক অভাব ছিল, তাই সমাজে আমার ভাল অবস্থা ছিলনা। একদিন বিকে নগর শাাখার শাখা ব্যবস্থাপকের মাধ্যমে জানতে পেরে এসটিটিআইতে যোগাযোগ করি, এরপর ইলেকট্রনিক্স এন্ড ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্ক ট্রেডে ৬ মাস মেয়াদি কোর্সে ভর্তি হই।  কাজ শিখে ব্যবসা করে বর্তমানে আমি ১৮০০০ টাকা মাসে আয় করি। বর্তমানে আমি নিজেই হেড মিস্ত্রির মতো কাজ করতে পারি ইনশাল্লাহ। আমার আশা আমি আমার এলাকায় একটি ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্ক-এর একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে চাই। উক্ত প্রতিষ্ঠানে আমি আমার এলাকার ২/৩ জন গরীব ছেলেকে কাজ দিতে চাই যাতে এলাকার গরীব ছেলেরা কাজ করে নিজেরা ¯^vej¤^x হতে পারে”

 Budget: 15,936,000

 Total Beneficiaries: 900 Trainees (36 Batch*25)

 Beneficiaries Criteria:

 Project Activities Picture: 10 Copies

Highlights

"দেশের সেবায় যে যার অবস্থান থেকে সমর্থ অনুযায়ী কাজ করলে জাতি উপকৃত হবে,দেশ হবে সমৃদ্ধশালী"------সমৃদ্ধি কর্মসূচি এসডিএস আলাওলপুর এর অধীনে ১০০ পরিবারের মধ্যে সেনেটারী লেট্রিনের উপকরন বিতরন ও স্বাস্থ্য ক্যাম্পে শরীয়তপুরে সুযোগ্য জেলা প্রশাসক। আজ ১৪ মে ২০১৮ ইং শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলার আলাওলপুর ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে পল্লীকর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও সহযোগী সংস্থা এসডিএস এর যৌথ সহযোগিতায় সম্পন্ন হলো ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের চতুর্থ ধাপে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ক্যাম্প ও ১০০ দরিদ্র পরিবারের মধ্যে সেনেটারী লেট্রিনের ১০০ সেট উপকরন বিতরন ( জন প্রতি ৫ টি রিং,১ টি ঢাকনা,১ টি স্লাব,১ টি ৫ ফুট জয়েন্ট পাইপ,১টি ৫ ফুট গ্যাস পাইপ,১ টি সাইপেন,১ টি ক্যাপ)। উক্ত রিং স্লাব বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,শরীয়তপুরের সুযোগ্য জেলা প্রশাসক জনাব কাজী আবু তাহের,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোসাইরহাট উপজেলার সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোহাম্মদ মামুন শিবলী। সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জনাব মোঃ উসমান গনি বেপারী, চেয়ারম্যান আলাওলপুর ইউনিয়ন পরিষদ।